অবিভাজ্য ধ্বনি কাকে বলে? উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।

প্রশ্নঃঅবিভাজ্য ধ্বনি কাকে বলে? উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।                                               

                                                                                               প্রশ্ন মানঃ৫

§  অবিভাজ্য ধ্বনিঃ

                     বাংলা ভাষায় এমন কিছু ধ্বনির ব্যবহার হয় যাকে স্বাভাবিকভাবে কিংবা কৃত্রিম কোনভাবেই ভাগ করা যায় না অথচ তারা একাধিক ধ্বনির সমবায়ে গঠিত হয় এদেরকে সাধারণভাবে অবিভাজ্য ধ্বনি বলা হয়।   

                     বাক্যের মধ্যে এমন কিছু ধ্বনির ব্যবহার দেখা যায় যা বিভাজ্য ধ্বনির মতো সুস্পষ্টভাবে বিভাজিত হয় না এগুলি আসলে অবিভাজ্য ধ্বনি বা ধ্বনিমুল। সাধারণভাবে অবিভাজ্য ধ্বনি গুলিকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয় –(ক)শ্বাসাঘাত, (খ)দৈর্ঘ্য, (গ)যতি, এবং (ঘ)সুরতরঙ্গ।

§  শ্বাসাঘাতঃ

                    একাধিক দল যুক্ত শব্দের উচ্চারণ কালে যদি কোন একটি দলের উপর বেশি পরিমাণে শ্বাস প্রয়োগ করে উচ্চারণ করা হয় তখন তাকে বলে শ্বাসাঘাত। শ্বাসাঘাত ঘটনাটি একটি দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বলে তাকে বিভাজন করা কখনোই সম্ভব নয়।

§  উদাহরনঃ

                   যেমন –‘মাখন’ শব্দটিতে প্রথম দল ‘মা’ উচ্চারণ করতে গেলে তাতে শ্বাসের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়।

§  যতিঃ

                   কথ্য ভাষায় মুখ দিয়ে উচ্চারিত কোন বাক্যের শেষে যখন থামা হয় বা বিরতি নেওয়া হয় তাই হল যতি। এই যতিকে আমরা দাড়ি কমা ইত্যাদি চিহ্নতে প্রকাশ করে থাকি।

 

§  উদাহরনঃ

যেমন - রাম এক থালা ভাত খেয়েছে দুধ দিয়ে। এখানে এই বাক্যটিতে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার পরে আমরা যদি ব্যবহার করি, শুধু রাম শব্দের পরে নয়।

 

জ্ঞ্যানজ্যোতি কোচিং সেন্টার

তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব আমরা এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি

নিতিশ স্যারঃ 6295916282; 7076398606

Comments

Popular posts from this blog

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস পঞ্চম অধ্যায়(MCQ) ঔপনিবেশিক ভারত শাসন

অবরোহন ও আরোহন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট ভূমিরূপ গুলি কী কী?

আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন||উচ্চমাধ্যমিক ভূগোলঃ (MCQ)